Language Change
02:54 PM 28 October 2026
Breaking News
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে আমজনতার ‘তারেক’ চাকরির বাজারে বাজিমাত! যে ১০ বিদেশি ভাষা জানলে ক্যারিয়ারে মিলবে অঢেল সুযোগ গুরবাজকে বোল্ড আউট করলেন তাসকিন চাটখিলে দেলিয়াই বাজারে সাংবাদিক সৌরভের ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় জিডি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যেতে চান মোহাম্মদ আলী ০৪ নং চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এম. আনোয়ার হোসেন বাচ্চু হঠাৎ অসুস্থ, দোয়া চেয়েছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা দিঘুলীতে বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই বসতঘর শারদীয় পূজার আবহে দেবীর সাজে পরীমনির ৫১ সেকেন্ডের নতুন ভিডিও ভাইরাল
সর্বশেষ

জননিরাপত্তা যেন ব্যাহত না হয়, সে ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষ চন্দ্রগঞ্জ থানার পাশেই চায় উপজেলা অফিস

May 7, 2026 · Zahid Hassan
৮৫৮

জননিরাপত্তা যেন ব্যাহত না হয়, সে ক্ষেত্রে বেশিরভাগ মানুষ চন্দ্রগঞ্জ থানার পাশেই চায় উপজেলা অফিস

তোফাজ্জল হোসেন: নিজস্ব প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর জেলার নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভবনের স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের স্থান নির্ধারণকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। জননিরাপত্তা, প্রশাসনিক স্বচ্ছলতা এবং কর্মকর্তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত এই ভবনটি চন্দ্রগঞ্জ থানার সন্নিকটে স্থাপনের জন্য জোর দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল।

​অভিজ্ঞ মহলের মতে, একটি উপজেলা পরিষদ হলো সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিদিন এখানে শত শত মানুষ সেবা নিতে আসেন এবং বিপুল পরিমাণ সরকারি নথিপত্র ও সম্পদ সংরক্ষিত থাকে। তাই কোনো নির্জন বা জনমানবহীন স্থানে এই ভবন নির্মিত হলে তা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

​স্থানীয়দের দাবি, বটগাছতলা নামক স্থান থেকে বিসমিল্লাহ রোড সংলগ্ন এলাকাটি উপজেলা কমপ্লেক্সের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো চন্দ্রগঞ্জ থানার নিকটবর্তী অবস্থান। থানার পাশে প্রশাসনিক কেন্দ্র থাকলে ​আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সহজতর হবে। ​যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশি সহায়তা দ্রুত পাওয়া যাবে। ​কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

​নাগরিকদের একাংশের অভিযোগ, যাতায়াত ব্যবস্থা ও জননিরাপত্তা বিবেচনা না করে কোনো বিচ্ছিন্ন স্থানে ভবন করা হলে সাধারণ মানুষকে সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হবে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর যাতায়াত এবং দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

​”উপজেলা পরিষদ ভবন এমন জায়গায় হওয়া উচিত যেখানে মানুষ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে। থানার আশপাশে এই ভবন হলে সাধারণ মানুষ ও প্রশাসন উভয়ই স্বস্তিতে থাকবে।”— জনৈক স্থানীয় সচেতন নাগরিক
​
​স্থানীয় সচেতন সমাজ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও প্রশাসনিক স্থায়িত্বের স্বার্থে থানার উপকণ্ঠে ভবন স্থাপনই সবচেয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তারা জনস্বার্থ ও সরকারি সম্পদের সুরক্ষায় আবেগ বা রাজনৈতিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে বাস্তবসম্মত ও নিরাপদ স্থান নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

​দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চন্দ্রগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক প্রত্যাশা পূরণ হবে—এমনটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *