ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স স্থাপন: আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান মল্লিককে ‘মিথ্যা’ মামলায় কারাগারে প্রেরণ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে ২৪২ পদে বড় নিয়োগ পাঁচ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু ট্রাম্প’কে কুরবানী দিতে সরকারের আপত্তি কোথায় ? হামজা চৌধুরীর পর এবার আসছেন চেলসি-ফুলহাম কাঁপানো ফারহান মান্দারীতে সন্ত্রাসী কায়দায় জামায়াত নেতার ঈদের ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলল বিএনপি কর্মী ## চীনের কয়লা খনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণ, নিহত ৮২ শ্রমিক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বাপ্পি চৌধুরী, প্রতি বছরের মতো এবারও দিলেন গাইড বই

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স স্থাপন: আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

ইয়াছিন আরাফাত
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স স্থাপন: আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

বিশেষ প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন গতি এসেছে। এই সংক্রান্ত এক আবেদনের নিষ্পত্তি ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।

বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে মোহাম্মদ হাসান নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আবেদন জানান। ২০০৪ সালের ২৪ অক্টোবরের একটি প্রশাসনিক পরিপত্র (স্মারক নম্বর: এমপবি. নিকার/১(৩)/ক্যাম/১৮৫(৯৫)) অনুযায়ী এই কমপ্লেক্স স্থাপনের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। তবে দীর্ঘসময়েও সেই আবেদনে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে ৯০২৬/২০২৬ নম্বর রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে আইনি যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট আফরোজা সুলতানা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আকতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

উভয় পক্ষের শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত রিট আবেদনটি নিস্পতি করে দেন। একই সাথে আদালতের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে রিটকারীর দেওয়া আবেদনপত্রটি বিবেচনা ও প্রশাসনিকভাবে নিষ্পত্তি করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা আদালতের এই রায়কে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স বাস্তবায়নের পথে একটি বড় আইনি অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। আদালতের এই আদেশের ফলে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা চন্দ্রগঞ্জের প্রশাসনিক সীমানা ও সদর কমপ্লেক্সের স্থান নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে তৎপরতা শুরুর পথ সুগম হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স স্থাপন: আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ০২:২৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স স্থাপন: আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

বিশেষ প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর:

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন গতি এসেছে। এই সংক্রান্ত এক আবেদনের নিষ্পত্তি ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ।

বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে মোহাম্মদ হাসান নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আবেদন জানান। ২০০৪ সালের ২৪ অক্টোবরের একটি প্রশাসনিক পরিপত্র (স্মারক নম্বর: এমপবি. নিকার/১(৩)/ক্যাম/১৮৫(৯৫)) অনুযায়ী এই কমপ্লেক্স স্থাপনের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। তবে দীর্ঘসময়েও সেই আবেদনে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে ৯০২৬/২০২৬ নম্বর রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়।

আদালতে রিটকারীর পক্ষে আইনি যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট আফরোজা সুলতানা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আকতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

উভয় পক্ষের শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত রিট আবেদনটি নিস্পতি করে দেন। একই সাথে আদালতের আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে রিটকারীর দেওয়া আবেদনপত্রটি বিবেচনা ও প্রশাসনিকভাবে নিষ্পত্তি করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা আদালতের এই রায়কে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর কমপ্লেক্স বাস্তবায়নের পথে একটি বড় আইনি অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। আদালতের এই আদেশের ফলে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা চন্দ্রগঞ্জের প্রশাসনিক সীমানা ও সদর কমপ্লেক্সের স্থান নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে নতুন করে তৎপরতা শুরুর পথ সুগম হলো।